নমস্কার, গীতবিতান তথ্যভাণ্ডারের জগতে আপনাকে স্বাগত

রবীন্দ্রনাথ আর তাঁর গান নিয়েই আমাদের পথ চলা। সেই গান আমাদের দেয় মনের শান্তি প্রাণের আরাম। জীবনের যেকোনো পরিস্থিতিতে রবীন্দ্রসংগীতই আমাদের আশ্রয়। গানের ভিতর দিয়েই রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে আমাদের পরিচয়। তাই গীতবিতান সমস্ত রবীন্দ্রপ্রেমীদের প্রাণের সম্পদ। তাঁর গান শুনে আমাদের দিন শুরু হয়,আর দিন শেষ হয় সেই গানের সুরেই।

আজি প্রণমি তোমারে চলিব নাথ

কিন্তু মাঝে মাঝে আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে, গানটি তিনি কবে লিখেছেন, তখন তাঁর বয়স কত ছিল, রচনার পিছনে কি কোনো কারণ ছিল, কে রচনা করেছেন এর স্বরলিপি, কোন রাগে গানটি গাওয়া হচ্ছে, গানটি কোথায় প্রথম প্রকাশ হয়েছিল, কোনো নাটক বা অনুষ্ঠানে কি গানটি গাওয়া হয়েছিল, প্রথম কে রেকর্ড করেছিলেন, কোন চলচ্চিত্রে এটি ব্যবহৃত হয়েছিল, পাণ্ডুলিপির সন্ধান কোথায় পাওয়া যাবে ইত্যাদি।

এই সমস্ত খবর জানতে হলে আমাদের পড়তে হয় অনেক বই। সংগ্রহ করতে হয় তথ্যগুলি নানান জায়গা থেকে। ব্যয় করতে হয় অনেক ধৈর্য্য এবং সময়। গীতবিতান তথ্যভাণ্ডার সেই শ্রম ও সময় থেকে আমাদের মুক্তি দেয়। গান সম্বন্ধে নানা খবর এক লহমাতেই পাঠকের গোচরে আসে। গীতবিতান তথ্যভাণ্ডার থেকে আমরা সহজেই জেনে নিতে পারি বিভাগ উপবিভাগ ক্রমিক সংখ্যা উৎসগ্রন্থ রচনাকাল রচনাস্থান কবির বয়স স্বরলিপিকার স্বরলিপি সংখ্যা রাগ সুর ও তাল বিভিন্ননাটক, বর্ষামঙ্গল ইত্যাদিতে ব্যবহৃত গান ,গানের প্রথম রেকর্ড, ভাঙাগানের খবর গান রচনার ইতিহাস এবং আরও নানা তথ্য

শ্রী শঙ্খ ঘোষ

শুভেচ্ছা বার্তায় কবি শঙ্খ ঘোষ লিখেছেন, ‘আমাদের নিরন্তর রবীন্দ্রচর্চার জগতে এটি একটি জরুরি কাজ হিসাবে গণ্য হবে বলে বিশ্বাস করি। পূর্ণেন্দুবিকাশ সরকার এজন্য আমাদের সকলেরই সাধুবাদ পাবার যোগ্য’

প্রসঙ্গকথায় গীতবিতান তথ্যভাণ্ডারের বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে । জানা যায় রবীন্দ্রনাথের মোট গানের সংখ্যা ১৯১২ টি যার মধ্যে ১৯৪ টি গানের কোনো স্বরলিপি নেই। আর রয়েছে ২০৪ টি সুরারোপিত সংলাপ। ৮৩৩ টি গানের রচনাস্থান জানা যায় নি। সবচেয়ে বেশী স্বরলিপি তৈরি করেছেন দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথ নিজে করেছেন ২৫১টি গানের ইংরাজি অনুবাদ । ইংরাজি গীতাঞ্জলির ১০৩টি রচনার মধ্যে ৪২টি গান রয়েছে। রবীন্দ্রনাথে সাতান্নটি কাব্যগ্রন্থের প্রায় ৩৫০০টি কবিতার মধ্যে গান রয়েছে ২২৯টি। এছাড়াও সন্ধান পাওয়া যাবে গানের প্রথম রেকর্ড, পাণ্ডুলিপি, পুরানো স্বরলিপি, ভাঙাগান, নাটকের গান, রূপান্তরিত গান ইত্যাদির।

গীতবিতান তথ্যভাণ্ডার  আছে মোট ৭ টি অধ্যায়। গীতবিতান তথ্যভাণ্ডার, সুরারোপিত সংলাপ, রবীন্দ্রসংগীতের কালানুক্রমিক বিন্যাস, ভাঙাগানের তালিকা, পুনরাবৃত্ত গানের তালিকা আর গীতসমৃদ্ধ রবীন্দ্রগ্রন্থ। বইটির দুটি পাতা খুললেই যেকোন গানের সমস্ত তথ্য একনজরে দেখে নেওয়া যায়। প্রতিটি গানের তথ্য বইটির বামদিক ও ডানদিকের পৃষ্ঠার সারনীর মধ্যে ধরা রয়েছে।

বামদিকের পৃষ্ঠা থেকে আমরা সহজেই জেনে নিতে পারি গানের বিভাগ, উপবিভাগ, উৎসগ্রন্থ, ক্রমিক সংখ্যা, রচনাস্থান, কবির বয়স, রচনাকাল, স্বরবিতান সংখ্যা, স্বরলিপিকার এবং গানের রাগ সুর ও তালের সমস্ত তথ্য।ডানদিকের পৃষ্ঠা থেকে জানা যাবে প্রতিটি রবীন্দ্রসংগীত সম্পর্কে অন্যান্য যাবতীত খবর।

দ্বিতীয় অধ্যায় রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন নাট্যকাব্যে ব্যবহৃত অনেক সংলাপই সুরযুক্ত। নাট্যপরিবেশনার সময় সেগুলিকে গান’ হিসাবে গাওয়া হয়ে থাকে। সংলাপগুলির স্বরলিপিকারের নামসহ স্বরলিপি বর্তমান। রয়েছে তাদের সুর তালের নির্দেশও। কিন্তু নাটকের বাইরে সেগুলিকে স্বতন্ত্র গান হিসাবে গাওয়া যায় না। বর্ণানুক্রমিক এই তালিকায় প্রয়োজনীয় তথ্যসহ ২০৪টি সুরযুক্ত সংলাপের উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিটি সংলাপের ক্ষেত্রে নাট্যকাব্যের দৃশ্য এবং চরিত্রাভিনেতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তৃতীয় অধ্যায় রবীন্দ্রসংগীতের কালানুক্রমিক বিন্যাস। গীতবিতান তথ্যভাণ্ডারের গানগুলি বর্ণানুক্রমিকভাবে তালিকাভুক্ত। সেক্ষেত্রে গান রচনার কালানুক্রমিক ধারাটি উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। তৃতীয়  বিভাগে গানগুলিকে কালানুক্রমিক ভাবে সাজানো হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে গানের বিভাগ, উপবিভাগ, গ্রন্থভুক্তি, রচনাস্থান এবং রচনা বা প্রকাশকালের উল্লেখ। ফলে গান রচনার কালানুক্রমিক ধারাটির সঙ্গে সঙ্গে কাব্যগ্রন্থগুলি প্রকাশের সম্পর্ক এবং আরও অনেক তথ্য সহজেই অনুধাবন করা সম্ভব।

চতুর্থ অধ্যায় ২৪৩টি ভাঙাগানের পূর্ণাংগ তালিকা ও বিস্তারিত আলোচনা

পঞ্চম অধ্যায় পুনরাবৃত্ত গানের বর্ণানুক্রমিক তালিকা। অখণ্ড গীতবিতান-এ গানের প্রথম ছত্রের সূচি-তালিকায় ২২১৩টি গান লিপিবদ্ধ রয়েছে। তার মধ্যে অনেক গান প্রথম ছাত্রের সামান্য পরিবর্তনের ফলে সুচিপত্রের দুই বা ততোধিক স্থানে উল্লিখিত হয়েছে। এগুলি মূলত একই গান। কোথাও মূল পাঠের দ্বিতীয় চরণ গেয় গানের প্রথম চরণে রূপান্তরিত হয়েছে। কোথাও বা গেও গানের কিছু কথা সুরে বর্জিত হয়েছে। রয়েছে এমন পুনরাবৃত্ত ৯৬টি গানের সন্ধান।

ষষ্ঠ অধ্যায় গীতসমৃদ্ধ রবীন্দ্রগ্রন্থের কালানুক্রমিক তালিকা রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থ, নাটক বা উপন্যাস যেগুলিতে গান যুক্ত রয়েছে, নানা তথ্যসহ সেগুলির কালানুক্রমিক বিন্যাস লিপিবন্ধ করা হয়েছে এই বিভাগে। প্রতিটি গ্রন্থের  প্রকাশকাল, কবির বয়স, প্রকাশক বা সম্পাদকের নাম, প্রকাশস্থান, মুদ্রণসংখ্যা এবং গ্রন্থভুক্ত গানের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রন্থ সম্পকে কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য, বিভিন্ন সংস্করণ, চয়নিকা ও সঞ্চয়িতায় গানের অন্তর্ভুক্তির উল্লেখ রয়েছে এই বিভাগে।  

গীতবিতান্ তথ্যভাণ্ডার নির্মানের ইতিহাস : চক্ষু-চিকিৎসক হিসাবে নিজের পেশাগত ব্যস্ততার বাইরে আমি রবীন্দ্রনাথের গান আর কবিতা নিয়ে, সামান্য কিছু কাজ করেছি। আমি রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ বা গবেষক নই, নিছক একজন রবীন্দ্র কৌতূহলী। এই কৌতূহলের নেশায়, অনেকদিনের পরিশ্রমে, ২০০৬ সালে তৈরি করেছিলাম গীতবিতান আর্কাইভ নামে রবীন্দ্রনাথের গানের একটা সংকলন। সেটি সমস্ত রবীন্দ্রপ্রেমীর কাছে সমাদৃত ও প্রশংসিত হয়েছে। গীতবিতান আর্কাইভ ডিভিডি প্রকাশের আগে একদিন সুচিত্রাদির বাড়িতে গিয়েছিলাম তাঁকে এটি দেখাবার জন্য। অনেক প্রশংসা করে তিনি  বলেছিলেন এটা যদি বই আকারে পাওয়া যেত, তাহলে খুব ভালো হয়যারা কম্পিউটারে তেমন সড়গড় নন, তাদের খুবই কাজে লাগবে। সেদিনই বোধহয় গীতবিতান তথ্যভাণ্ডারের বীজ পোঁতা হয়ে গিয়েছিলো। একদিন খুব ভয়ে ভয়ে শঙ্খদাকে কথাটা জানালাম। তিনি বললেন খুব ভালো উদ্দ্যোগ। শঙ্খদার উৎসাহ আর স্নেহই আমার রবীন্দ্র-নেশাকে শতগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

এরপরে বেশ কয়েক বছর কেটেছে রবীন্দ্রনাথের গানের নানা খবর সংগ্রহে। শ্রদ্ধেয় স্বপন মজুমদার, আলপনাদি, অনাথনাথ দাশ, নিত্যপ্রিয়দা,  অনেক মূল্যবান তথ্যের সন্ধান দিয়েছেন। শ্রী সুভাষ চৌধুরি, শ্রী অরুণকুমার বসু, শ্রী প্রবীর গুহঠাকুরতা তাঁদের শারিরীক অসুস্থতা ও অসম্ভব ব্যস্ততার মধ্যেও আমার কাজ খুঁটিয়ে দেখেছেন, সংশোধন ও নানা তথ্য সংযোজন  করেছেন। অসীম ভালোবাসায় আমার সব আবদার মিটিয়েছেন তাঁরা। আমি বিশ্বাস করি অনন্তলোক থেকে তাঁরা আমাকে আশীর্বাদ করছেন। বন্ধু স্বপন সোম গীতবিতান তথ্যভাণ্ডারের কাজে প্রথমদিন থেকেই আমাকে সাহায্য করে চলেছেন। খুঁটিয়ে দেখেছেন প্রতিটা তথ্য। এই বিশাল কাজটির পিছনে রয়েছে অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা, শুভেচ্ছা আর পরিশ্রম। আজ তাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

১৯৪১ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথের জীবৎকালে জিতেন্দ্রনাথ বাগচি, হেমেন্দ্রনাথ দত্ত, শিশিরকুমার ঘোষ, অমিতা সেন, অমলা দাশ, বলাইদাশ শীল, কে এল সায়গল, পঙ্কজকুমার মল্লিক প্রমুখ প্রায় ৭৫ জন শিল্পীর কণ্ঠে ৩৭৮টি রবীন্দ্রসংগীত রেকর্ড করা হয়েছিল। রেকর্ড কোম্পানী ও রেকর্ড সংখ্যা সহ সেগুলির উল্লেখ রয়েছে এই গ্রন্থে। ১৯৪১ সাল পর্যন্ত সিনেমায় ব্যবহৃত রবীন্দ্রসংগীতগুলির সন্ধানও পাওয়া যাবে এখানে।

বিভিন্ন মাঘোৎসবে গাওয়া রবীন্দ্রসংগীত, বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তাদের প্রথম প্রকাশের তথ্য, বিভিন্ন নাটক, গীতিনাট্য, নৃত্যনাট্যে ব্যবহৃত গান ও সেগুলির দৃশ্য-সংখ্যা, চরিত্রাভিনেতার নির্দেশ ও নাটকের বিভিন্ন মঞ্চায়নের তথ্যের উল্লেখ রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে প্রকাশকালসহ  বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত  গানগুলিও।

ইংরাজি গীতাঞ্জলির পরে রবীন্দ্রনাথ নিজের অনেক রচনা, প্রবন্ধ, কবিতা গান ইত্যাদি ইংরাজিতে অনুবাদ করেছেন। সেগুলি Poems, Crossings, Fruit Gatherings, Lovers gift ইত্যাদিতে সংকলিত। এই তথ্যভাণ্ডারে তাঁর অনুবাদ করা ২৫১ টি রবীন্দ্রসংগীতর ইংরাজিতে প্রথম ছত্র ও গ্রন্থ-নির্দেশের উল্লেখ রয়েছে।

আলোচিত ১৯১২ গানের প্রায় ৪৬ শতাংশের রচনাস্থান জানা যায়নি। বোলপুর ও সুরুল সহ শান্তিনিকেতনে লেখা হয়েছে প্রায় ৬০০টি গান, যা মোট গানের ৩১ শতাংশ। এছাড়াও শিলাইদহে ১০৬টি, জোড়াসাঁকো সহ কলকাতায় ৯২,  বিদেশের মাটিতে ৫৪, গিরিডি  ২২ , শিলং ১০, ‌ বিভিন্ন রেলপথে ১৩, আগরতলায় ৭, রামগড় ৭, পতিসর ২ গান লেখা হয়েছে। অবশিষ্ট ১৪৬ টি গান বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লেখা।

আমরা জানি গীতবিতানের স্বরলিপি বিহীন গানের সংখ্যা ১৯৪, বাকি ১৭১৮টি গানের স্বরলিপি রচনা করেছেন মোট ২৪ জন স্বরলিপিকার। দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর করেছেন সর্বাধিক ৩৪ শতাংশ গানের  স্বরলিপি, ইন্দিরাদেবী ১২ শতাংশ, এছাড়াও কাঙ্গালিচরণ সেন ১০, শৈলজারঞ্জন মজুমদার ৮, অনাদিকুমার দস্তিদার ৭, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ৬, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর ৪ শান্তিদেব ঘোষ  ৩ যথাক্রমে ১০,  শতাংশ । আর বাকি ১৬ জন একত্রে মাত্র  ৫ শতাংশ গানের স্বরলিপি লিখেছেন।

বিভিন্ন মাঘোৎসব, বর্ষামঙ্গল, নববর্ষ, বিবাহ অনুষ্ঠানে, অন্নপ্রাসন, গীতোৎসব ইত্যাদি উপলক্ষে রচিত অসংখ্য গানের প্রেক্ষিত ও তথ্য জানা যাবে এক নিমেষেই। সঞ্চয়িতা এবং চয়নিকায়  গীতালি, গীতিমাল্য, গীতাঞ্জলি, বলাকা, উৎসর্গ, ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী, রোগশয্যায়, প্রবাহিণী ইত্যাদি কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা-চিহ্নিত, অনেক গান, নামযুক্ত হয়ে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে । তেমনই কল্পনা, ক্ষণিকা, সানাই, মানসী, শিশু, চিত্রা, সোনার তরী কাব্যগ্রন্থের অনেক কবিতাও সঞ্চয়িতা এবং চয়নিকায় রয়েছে । সেগুলির বিস্তারিত খবর পাওয়া যাবে গীতবিতান তথ্যভাণ্ডারে। রবীন্দ্রনাথ নানা সময়ে নিজের লেখা অনেক গানকে কবিতায় এবং কবিতাকে গানের রূপ দিয়েছেন। এমনই ৯৬টি রূপান্তরিত গান-কবিতার সন্ধান রয়েছে এই গ্রন্থে।  যৌথ রচনা, বিবাহ উৎসব ও নলিনী, কিম্বা, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের পুরুবিক্রম, স্বপ্নময়ী, মানময়ী ইত্যাদি নাটকের জন্য রবীন্দ্রনাথ অনেক গান লিখেছেন, যেগুলি পরে গৃহপ্রবেশ, ভগ্নহৃদয়, মায়ার খেলা, শাপমোচন ইত্যাদি নাটকেও ব্যবহৃত হয়েছিল। সেগুলির বিস্তারিত তথ্যও এই গ্রন্থে  সংকলিত।

ডা. পূর্ণেন্দুবিকাশ সরকার
9830606220

গীতবিতান তথ্যভাণ্ডার প্রাপ্তিস্থান

সমস্ত আনন্দ-বিপণী

On-Line

Click to collect 

 

2 Responses

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *